Holy Urs of ‘Maula Pak’/ মওলা পাকের উরস পাক

Today, on 19.06.20, 5th Ashar, Friday, in the evening, that is, the 27th Shawal, the Holy Urs of the 32nd descendant of the Holy Prophet (PBUH) and the 19th , from the Patriarch Grandmaster, the Guide of Guides, the Great Helper, Master Ghause Azam Pak, the sun of the Quaderia firmament, Master ‘Maula Pak’, Sayedena wa Maulana His Holiness Sayed Shah Ali Abdul Quadir Shamsul Quaderi AKA Sayed Shah Murshid Ali Al-Quaderi Al-Hasani Al-Husaini Al-Baghdadi (PBUH) is going to be held at No. 22 Khankah Sharif Masjid Pak and No. 4 Darbar Pak, Medinipore Jora Masjid and Dayera Pak, the Mongolkote Quaderia Khankah Sharif in Bardwan District, and Hazrat Rawshanganj Dargah in Purnia District of Bihar and the Quaderia Khankah Sharif Mosque.

All observances in all the mentioned Khankah Sharifs are being held under the management and guardianship of the 3rd descendant from ‘Maula Pak’ and the Head of Order and his only successor, the Ghaus of the present era, Boro Huzur Pak, Sayedena wa Maulana His Holiness Sayed Shah Rashid Ali Al-Quaderi Al-Hasani Al-Husaini Al-Baghdadi Maddajilluhul Ali.

*Al-Hajj Maulana Muhammad Waliullah Quaderi *
Translated by : Syed Mujtaba Quader*

আজ 19.06.2020, ৫ ই আষাঢ়, শুক্রবার, দিবাগত রাত্রি অর্থাৎ২৭ শে শাওয়াল ২২ নং খানকাহ শরীফ মসজিদ পাক ও ৪ নম্বর দরবার পাক, মেদিনীপুর জোড়া মসজিদ ও দায়রা পাক, বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোট কাদেরিয়া খানকাহ শরীফ মসজিদ পাক এবং বিহারের পূর্ণিয়া জেলার হযরত রওশানগঞ্জ দরগাহ ও কাদেরিয়া খানকাহ শরীফ মসজিদ পাকে রসুলে পাক (সঃ) এঁর ৩২ তম এবং সুফি সাধনার আদি গুরু পীরানে পীর দাস্তেগীর হুযুর গওসে আযাম পাকের ১৯ তম বংশধর ক্বাদেরীয়া গগণের সূর্য হুযুর মওলা পাক সাইয়েদেনা ওয়া মওলানা হযরত সাইয়েদ শাহ আলী আব্দুল ক্বাদের শামসুল ক্বাদেরী মা’রূফ বে সাইয়েদ শাহ মুর্শিদ আলী আল ক্বাদেরী আল হাসানী আল হুসায়নী আল বাগদাদী (আঃ) পাকের উরস পাক অনুষ্ঠিত হতে চলেছে।

উল্লেখিত সমস্ত খানকাহ শরীফের সম্পূর্ণ অনুষ্ঠান সমূহ অনুষ্ঠিত হচ্ছে মওলা পাকের ৩য় বংশধর এবং তাঁর একমাত্র গদ্দীনশীন ও স্থলাভিষিক্ত, বর্তমান যামানার গওস বড় হু্যুর পাক সাইয়েদেনা ওয়া মওলানা হযরত সাইয়েদ শাহ রশীদ আলী আল ক্বাদেরী আল হাসানী আল হুসায়নী আল বাগদাদী মাদ্দাজিল্লুহুল আলীর পরিচালনায় ও নেতৃত্বে।

আলহাজ মওলানা মুহাম্মাদ ওয়ালীউল্লাহ্ কাদেরী

Method for Making Holy Offerings / নিয়ায পাক আদা পাক করার নিয়ম

The method for making holy offerings is that, the offering must first be placed on an elevated place, on the alter of a mosque or on a table meant for making offerings or on a similar object, and facing Holy Baghdad, the following incantations (doas) must be recited standing in the posture of the ‘tahrima’ (holding both hands together) as in prayer :

After asking for forgiveness (istigfar) 3 times,

  1. Darood e Ghausia – 11 times
  2. Holy Isme A’zam – 11 times
  3. Sura Kafirun – 3 times
  4. Sura Ikhlas – 3 times
  5. Sura Falaq – 3 times
  6. Sura Naas – 3 times
  7. Sura Fatiha – 1 time
  8. Holy Isme A’zam – 11 times
  9. Darood e Ghausia – 11 times, After that, recite

سُبْحَانَ رَبِّكَ رَبِّ الْعِزَّةِ عَمَّا يَصِفُونَ . وَسَلَامٌ عَلَى الْمُرْسَلِينَ . وَالْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ

and uttering ‘Al Fatiha’, the supplication has to be made.

*Supplication* : After reciting the above incantations (doas), by raising the hands in supplication, say “ Oh Allah Most High, Cherisher ! Whatever this sinning slave of yours has recited with his unclean mouth, forgive the faults and mistakes therein, for the sake of Your Loved Ones, the Five Chaste Bodies (Panjatan Pak), Muhammad, Fatima, Ali, Hasan, Husain, peace be upon them, and for the sake of Master Ghause Pak, Sheikh Abu Muhammad Muhiuddin Abdul Quadir Al-Jilani Al-Hasani Al-Husaini Al-Baghdadi, peace be upon him, forgive the faults and mistakes therein, bestow its rightful blessings, and with regard to the offering that is placed in front, forgive the faults and mistakes of that too, for their sake, and bestow on us the rightful blessings.

Oh Allah, whatever blessings that you have made your servant earn, and specially the blessings of this offering, all these blessings, your sinning slave makes an offering and bestowal to the holy souls of Your Loved One, Ahmed e Mujtaba Muhammade Mustafa His Excellency the Holy Prophet Muhammad, the Lion of Allah, Master Ali, the Attacking Lion (Haidar e Karrar), His Excellency Master Ali, the Placater of Difficulty (Mushkilkusha), the First Lady of Heaven (Khatoon e Jannat), the Leader of Women, Sayeda Her Excellency Fatimatuz Zahra, the Leader of the Martyrs, Sayedena His Excellency Imam Hasan, and the Leader of the Martyrs, the Martyr of Karbala, Sayedena, His Excellency Imam Husain, peace be upon them, and makes an offering and bestowal to the holy souls of the Family of the Household (Ahle Bayet), peace be upon them, and makes a special offering and bestowal to the holy soul of, the Guide of Guides (Peerane Peer), the Leader of Leaders (Meeran e Meer), Dastegir (Helper), Master Ghause Azam (the Greatest Helper) Sheikh Abu Muhammad Muhiuddin Abdul Quadir Al-Jilani Al-Hasani Al-Husaini Al-Baghdadi, peace be upon him, and makes an offering and bestowal of all these blessings to the holy souls of Sayedena His Excellency Sayed Shah Zakir Ali Al Quaderi, Sayedena His Excellency Sayed Shah Rawshan Ali Al Quaderi, Sayedena His Excellency Sayed Shah Tofail Ali Al-Quaderi, Sayedena His Excellency Sayed Shah Mehre Ali Al-Quaderi, Sayedena His Excellency Sayed Shah Murshid Ali Al-Quaderi, Sayedena His Excellency Sayed Shah Ershad Ali Al-Quaderi, Sayedena His Excellency Sayed Shah Mustarshid Ali Al-Quaderi, peace be upon them. Oh Allah, accept the making of this offering for the sake of the Holy Five Chaste Ones (Panjatan e Athar) and for the sake of Master Ghause Pak.

وَ صَلَّى اللهُ تَعَلٰى عَلٰى خَيْرِ خَلْقِهٖ مُحَمَّدٍ وَّ عَلٰى اَهْلِ بَيْتِهٖ وَآلِهٖ الطَّيِّبِِيْنَ وَ الطَّاهِرِيْنَ  وَالْمَعْصُوْمِيْنَ الْاَجْمَعِيْنَ خُصُوْصًا عَلٰى سَيِّدِنَا الْغَوْثِ الْاَعْظَم اَمِيْنُ الْمَكِيْن بِرَحْمَتِكَ يَا اَرْحَمَ
• الرَّاحِمِيْنَ • بَحَقِّ لَا اِلٰهَ اِلَّا اللهُ مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللهِ يَا شَيْخُ عَبْدُ الْقَادِر شَيْـًٔا لِلهِ

*Al-Hajj Maulana Muhammad Waliullah Quaderi*
Translated into English by : Syed Mujtaba Quader

নিয়ায পাক আদা পাক করার নিয়ম

নিয়ায পাক আদা পাক করার নিয়ম হলো, প্রথমে নিয়ায পাককে কোনো উঁচু জায়গায়, মসজিদের মিম্বার বা নিয়ায পাক আদা পাক করা টুল বা এই জাতীয় কোনো জিনিসের উপর রেখে, বাগদাদ শরীফের দিকে মুখ করে নামাযের তাহরীমা বাঁধার মতো করে দাঁড়িয়ে নিম্নোক্ত দুআ সমূহ পাঠ করতে হবে।

৩ বার ইস্তেগফার করার পরঃ

১। দরূদ এ গওসিয়া – ১১ বার
২। ইসমে আ’যাম পাক – ১১ বার
৩। সুরা কাফিরূন – ৩ বার
৪। সুরা ইখলাস – ৩ বার
৫। সুরা ফালাক – ৩ বার
৬। সুরা নাস – ৩ বার
৭। সুরা ফাতিহা – ১ বার
৮। ইসমে আ’যাম পাক – ১১ বার
৯। দরূদ এ গওসিয়া – ১১ বার। এরপর

سُبْحَانَ رَبِّكَ رَبِّ الْعِزَّةِ عَمَّا يَصِفُونَ . وَسَلَامٌ عَلَى الْمُرْسَلِينَ . وَالْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ

পড়ে ‘আল্ ফাতেহা’ বলে মোনাজাত করতে হবে।

*মোনাজাত* :- উপরোক্ত দুআ সমূহ পাঠ করার পর হাত তুলে মোনাজাতে বলতে হবে, “হে আল্লাহ্ পাক পরওয়ার দেগার তোমার এই গোনাহ্গার বান্দা তার নাপাক যোবানে যা কিছু তেলাওয়াত করলো, তোমার মাহবুবগন পাক পাঞ্জাতনে আতাহার মুহাম্মাদ, আলী, ফাতেমা, হাসান ও হুসায়্ন আলায়হিমুস সালাম এবং হুযুর গওসে পাক শায়খ আবু মুহাম্মাদ মুহীউদ্দীন আব্দুল কাদির আল্ জীলানী আল্ হাসানী আল্ হুসায়নী আল্ বাগদাদী আলায়হিস সালাম পাকের ওয়াসীলায় এর ভূল ত্রুটি ক্ষমা করে তার সহীহ সওয়াব দান করো এবং সামনে যে নিয়ায পাক আদা পাকের উদ্দেশ্যে রাখা আছে, এরও ভূল ত্রুটি তাঁদেরই ওয়াসীলায় ক্ষমা করে তার সহীহ সওয়াব দান করো।

হে আল্লাহ্ তোমার এই গোনাহ্গার বান্দার দ্বারা যে সওয়াব হাসিল করালে এবং বিশেষ করে এই নিয়ায পাকের যে সওয়াব, এই সমস্ত সওয়াব তোমার এই গোনাহ্গার বান্দা তোমার হাবীব আহমাদে মুজতাবা মুহাম্মাদে মুস্তাফা জনাবে মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ্, শেরে খোদা হায়দারে কারবার হযরত মওলা আলী মুশকিল কুশা, খাতুনে জান্নাত সাইয়েদাতুন নেসা সাইয়েদা হযরত ফাতেমাতুয যাহরা, সাইয়েদুশ শোহাদা সাইয়েদেনা হযরত ইমাম হাসান ও সাইয়েদুশ শোহাদা শহীদে কারবালা সাইয়েদেনা হযরত ইমাম হুসায়্ন আলায়হিমুস সালাম পাকগনের আরওয়াহ্ পাকে হাদিয়া ও নযর পাক করলো, আহলেবায়েতে কেরাম আলায়হিমুস সালাম পাকগনের আরওয়াহ্ পাকে হাদিয়া ও নযর পাক করলো এবং খাস করে পীরানে পীর মীরানে মীর দাস্তেগীর হুযুর গওসে আ’যাম শায়খ আবু মুহাম্মাদ মুহীউদ্দীন আব্দুল কাদির আল্ জীলানী আল্ হাসানী আল্ হুসায়নী আল্ বাগদাদী আলায়হিস সালাম পাকের রূহ পাকে হাদিয়া ও নযর পাক করলো, এবং এই সমস্ত সওয়াব সাইয়েদেনা হযরত সাইয়েদ শাহ্ যাকির আলী আল্ কাদেরী, সাইয়েদেনা হযরত সাইয়েদ শাহ্ রওশান আলী আল্ কাদেরী, সাইয়েদেনা হযরত সাইয়েদ শাহ্ তোফায়েল আলী আল্ কাদেরী, সাইয়েদেনা হযরত সাইয়েদ শাহ্ মেহেরে আলী আল্ কাদেরী, সাইয়েদেনা হযরত সাইয়েদ শাহ্ মুর্শিদ আলী আল্ কাদেরী, সাইয়েদেনা হযরত সাইয়েদ শাহ্ ইরশাদ আলী আল্ কাদেরী ও সাইয়েদেনা হযরত সাইয়েদ শাহ্ মুস্তারশিদ আলী আল্ কাদেরী আলায়হিমুস সালাম পাকগনের আরওয়াহ্ পাকে হাদিয়া ও নযর পাক করলো। হে পরওয়ার দেগার তুমি এই নিয়ায পাক আদা পাক পাঞ্জাতনে আতাহার ও হুযুর গওসে পাকের ওয়াসীলায় কবুল করো।”

وَ صَلَّى اللهُ تَعَلٰى عَلٰى خَيْرِ خَلْقِهٖ مُحَمَّدٍ وَّ عَلٰى اَهْلِ بَيْتِهٖ وَآلِهٖ الطَّيِّبِِيْنَ وَ الطَّاهِرِيْنَ  وَالْمَعْصُوْمِيْنَ الْاَجْمَعِيْنَ خُصُوْصًا عَلٰى سَيِّدِنَا الْغَوْثِ الْاَعْظَم اَمِيْنُ الْمَكِيْن بِرَحْمَتِكَ يَا اَرْحَمَ
• الرَّاحِمِيْنَ • بَحَقِّ لَا اِلٰهَ اِلَّا اللهُ مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللهِ يَا شَيْخُ عَبْدُ الْقَادِر شَيْـًٔا لِلهِ

*আলহাজ্জ মওলানা মুহাম্মাদ ওয়ালীউল্লাহ্ কাদেরী*

The Prayer of ‘Tasbih’ (Rosary) / সালাতুত তাসবীহ

Since in this Prayer, a specific incantation (doa) is recited many times (300 times), this prayer is called the ‘Prayer of ‘Tasbih’ (Rosary)’.

*Blessings* : The unending rewards/blessings to be derived from the Prayer of ‘Tasbih’ has been mentioned in the Holy Hadees.  Some first rate scholars have said that, hearing its virtues, none, except the indolent kind of persons will discard this.

It is narrated by Hazrat Abdullah Ibn Abbas (RA), he said : “ One day the Kind Prophet (pbuh) said to my father, Hazrat Abbas Ibn Abdul Muttalib, ‘Oh my Uncle, what shall I give you ? Shall I not forgive you ? Shall I not give you ? Shall I not grace you ? There are 10 habits (practices), which if you do, Allah Most High shall forgive your sins. The sins of the past, of the future, old ones, new ones, intentional, unintentional, small, big, secret and manifest, all sins Allah Most High shall forgive you.’ Thereafter, he taught him the practice and method of the Prayer of Tasbih. Then he said, ‘If it is possible for you, read it once each day. And if that is not possible, then once each Friday. And if that is not possible, then once in a month. And if that is not possible, then once in a year. And if that is not possible, then at least once in your life. ’ ”   

The Method of the Prayer: The method of saying the Prayer of ‘Tasbih’ has been described in Blessed Tirmizi by Hazrat Abdullah bin Mubarak as : after making the declaration of intention of four ‘rakats’ of the Prayer of ‘Tasbih’, and after saying the ‘sana’, the following incantation has to be read 15 times :

سُبْحَانَ اللهِ وَ الْحَمْدُ لِلّٰهِ وَلَٓا اِلٰهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَر

Thereafter, after saying, ‘Aauzubillah’, ‘Bismillah’, Sura Fatiha, and any other Sura, the mentioned incantation has to be read 10 times

Thereafter, going into ‘ruku’ (standing prostration), saying the incantation of ‘ruku’ three times, the mentioned incantation must be read 10 times.

After standing up from ‘ruku’ and saying, ‘Samiallah huliman hamidah wa Rabbana Lakal Hamd’, the mentioned incantation has to be read 10 times.

Thereafter, going into ‘sijda’ (prostration), after saying the incantation of ‘sijda’ three times, the mentioned incantation must be said 10 times in the position of ‘sijda’.

Sitting up from ‘sijda’ the mentioned incantation must be said 10 times in between the two ‘sijda’s.

Going into the second ‘sijda’, and after saying the incantation of ‘sijda’, the mentioned incantation must be read again 10 times. This way, one ‘rakat’ shall be completed.

Standing for the second ‘rakat’ after lifting the head from ‘sijda’, the mentioned incantation must first be read 15 times, and then, like previously, as per the method, the second, third, and fourth ‘rakat’s must be completed. In this method, 75 times in every ‘rakat’, the mentioned incantation must be read a total of (75 x 4)=300 times.

*’Niyat’ (Declaration of Intention)*:

نَوَيْتُ أَنْ أُصَلِّيَ لِلًّٰهِ تَعَالَى أَرْبَعَ رَكْعَاتِ صَلَاةِ تََّسْبِيْحِ سُنَّةَ رَسُوْلِ اللهِ تَعَالٰى
مُتَوَجِّهًا اِلٰى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِيْفَةِ اَللهُ أكْبَر

[1. Bahare Shariat, Vol: 1, Part: 4, Pg: 16
Tirmizi Sharif, Vol: 2. Pg: 457]

*Al-Hajj Muhammad Waliullah Quaderi*
Translated into English by : Syed Mujtaba Quader

*সালাতুত তাসবীহ*

এই সলাতে বিশেষ একটি তাসবীহ্ বেশী পরিমাণে (300 বার) পাঠ করতে হয় বিধায় এই সলাতকে সালাতুত তাসবীহ্ বলা হয়।

*ফযীলত*:- হাদীস শরীফে সালাতুত তাসবীহর অশেষ সওয়াবের কথা উল্লেখিত হয়েছে। কিছু মুহাক্কিকীন বলেছেন, এই নামাযের বুযুর্গী শুনে অলস প্রকৃতির লোক ছাড়া কেউ ছেড়ে দেয় না। 

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদিন নবী করীম (সঃ) (আমার পিতা হযরত আব্বাস ইবনে আব্দুল মুত্তালিবকে বললেন, “হে আমার চাচা আমি কি আপনাকে প্রদান করবো না? আমি কি আপনাকে বখশিশ করবো না? আমি কি আপনাকে দেবো না? আমি কি আপনার প্রতি এহসান করবো না? 10 টি অভ্যাস (কাজ) আছে যদি আপনি করেন তো আল্লাহ্ তা’আলা আপনার গোনাহ্ ক্ষমা করে দেবেন। পূর্বের, পরের, পুরাতন, নতুন, ইচ্ছাকৃত, অনিচ্ছাকৃত, ছোটো, বড়, গোপন ও প্রকাশ্য সমস্ত গোনাহ্ আল্লাহ্ তা’আলা মাফ করে দেবেন।” এরপর সালাতুত তাসবীহর তরকীব ও তালীম দিলেন। অতঃপর বললেন, “যদি আপনার দ্বারা সম্ভব হয় তো প্রতিদিন একবার করে পড়ুন। আর যদি তা সম্ভব না হয় তাহলে প্রতি শুক্রবার একবার। আর তাও সম্ভব না হলে প্রত্যেক মাসে একবার। আর তাও সম্ভব না হলে বছরে একবার। আর তাও সম্ভব না হলে জীবনে একবারও আদায় করুন। 

*নামাযের পদ্ধতি*:- তিরমিযী শরীফে হযরত আব্দুল্লাহ বিন মুবারক হতে সালাতুত তাসবীহ্ পড়ার নিয়ম এভাবে বর্ণিত হয়েছে যে, চার রাকআত সালাতুত তাসবীহর নিয়াত করে *সানা* পড়ার পর নিম্নোক্ত তাসবীহটি ১৫ বার পড়তে হবেঃ

سُبْحَانَ اللهِ وَ الْحَمْدُ لِلّٰهِ وَلَٓا اِلٰهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَر

এরপর আউযুবিল্লাহ, বিসমিল্লাহ, সুরা ফাতিহা ও কোনো একটি সুরা পরার পর ১০ বার উক্ত তাসবীহটি পড়তে হবে। 

এরপর রুকুতে গিয়ে রুকুর তাসবীহ্ তিনবার পড়ার পর উক্ত তাসবীহটি ১০ বার পড়তে হবে।

রুকু থেকে সামীআল্লাহু লিমান হামিদা ওয়া রব্বানা লাকাল হামদ বলে সোজা ভাবে দাঁড়িয়ে উক্ত তাসবীহটি ১০ বার পড়তে হবে।

এরপর সাজদায় গিয়ে তিনবার সাজদার তাসবীহ পড়ার পর সাজদার অবস্থায় উক্ত তাসবীহ ১০ বার পড়তে হবে।

সাজদা থেকে মাথা তুলে বসে দুই সাজদার মাঝে উক্ত তাসবীহটি ১০ বার পড়তে হবে।

দ্বিতীয় সাজদায় গিয়ে তিনবার সাজদার তাসবীহ পড়ার পর পুনরায় উক্ত তাসবীহটি ১০ বার পড়তে হবে। এইভাবে এক রাকআত পূর্ণ হলো।

সাজদা থেকে মাথা তুলে দ্বিতীয় রাকআতের জন্য দাঁড়িয়ে প্রথমে উক্ত তাসবীহটি ১৫ বার পড়ার পর পূর্বের ন্যায় যথারীতি নিয়মে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ রাকআত সম্পন্ন করতে হবে। এই নিয়মে প্রত্যেক রাকআত ৭৫ বার করে চার রাকআতে সর্বমোট (৭৫ x ৪)= ৩০০ বার উক্ত তাসবীহ পাঠ হবে।

*নিয়াত*:-   

نَوَيْتُ أَنْ أُصَلِّيَ لِلًّٰهِ تَعَالَى أَرْبَعَ رَكْعَاتِ صَلَاةِ تََّسْبِيْحِ سُنَّةَ رَسُوْلِ اللهِ تَعَالٰى
مُتَوَجِّهًا اِلٰى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِيْفَةِ اَللهُ أكْبَر

[১। বাহারে শরীয়ত, খণ্ড -1, অংশ -4 , পৃষ্ঠা – ১৬
২। তিরমিযী শরীফ, খণ্ড – ২, পৃষ্ঠা – ৪৫৭]

*আলহাজ্জ মওলানা মুহাম্মাদ ওয়ালীউল্লাহ্ কাদেরী*

‘Duas’ (Supplications) /

بسم الله الرحمن الرحيم

*بعض الادعية المختارة من القرآن في المنجات بعد الصلاة وطريقة الدعاء*
*Selected ‘duas’ (incantations) and their procedures for supplication after Prayers*

اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلَى سَيِّدِنَا وَ مَوْلَانَا مُحَمَّدٍ وَّ عَلَى اَهْلِ بَيْتِهٖ وَ اٰلِهِ الطَّيِّبِيْنَ وَ الطَّاهِرِيْنَ وَالْمَعْصُوْمِيْنَ الْاَجْمَعِيْنَ خُصُوْصًا عَلَى سَيِّدِنَا الْغَوْثِ الْاَعْظَم عَلَى جَدِّهٖ نَبِيِّنَا وَ عَلَيْهِ الصَّلَاةُ وَالسَّلَام

١. اَللّٰهُمَّ اَنْتَ السَّلَامُ، وَ مِنْكَ السَّلَامُ، تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْاِكْرَام •
[When the Holy Prophet (pbuh) turned for ‘salam’ he used to say ‘Astagfirullah’ three times and after that said this ‘dua’.]

٢. ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﺁﺗِﻨَﺎ ﻓِﻲ ﺍﻟﺪُّﻧْﻴَﺎ ﺣَﺴَﻨَﺔً    وَّﻓِﻲ ﺍﻵﺧِﺮَﺓِ ﺣَﺴَﻨَﺔً ﻭَّﻗِﻨَﺎ ﻋَﺬَﺍﺏَ النَّارِ •
[‘Dua’ of the Holy Prophet (pbuh)]

٣. رَبَّنَا ظَلَمْنَآ اَنْفُسَنَا وَاِنْ لَّمٔ تَغْفِرْ لَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُوْنَنَّ مِنَ الْخَاسِرِيْنَ •
[‘Dua’ of Hazrat Adam (AS)]

٤. رَبِّ اجْعَلْنِىِ مُقِيْمَ الصَّلَاةِ مِنْ ذُرِّيَّتِىْ رَبَّنَا وَتَقَبَّلْ دُعَآءِ •
[‘Dua’ of Hazrat Ibrahim (AS)]

٥. رَبِّ اَنِّىْ مَسَّنِىَ الضُّرُّ وَاَنْتَ اَرْحَمُ الرَّاحِمِيْنَ •
[‘Dua’ of Hazrat Ayub (AS)]

٦. اَنْتَ وَلِىّٖ فِى الدُّنْيَا وَالْاٰخِرَةِ تَوَفَّنِىْ مُسْلِمًا وَاَلْحِقْنِىْ بِالصَّالِحِيْنَ •
[‘Dua’ of Hazrat Yousuf (AS)]

٧. رَبِّ اشْرَحْ لِىْ صَدْرِىْ وَيَسِّرِلِىْ اَمْرِىْ وَأحْلُلْ عُقْدَةً مِّنْ لِّسَانِىْ يَفْقَهُوْا قَوْلِىْ •
[‘Dua’ of Hazrat Musa (AS)]

٨. رَبِّ اغْفِرْ لِىْ وَلِوَالِدَىَّ وَلِمَنْ دَخَلَ بَيْتِىَ مُؤْمِنًا وَّلِلْمُؤْمِنِيْنَ وَالْمُؤْمِنَاتٍ •
[‘Dua’ of Hazrat Nuh(AS)]

٩. رَبِّ افْتَحْ بَيْنَنَا وَ بَيْنَ قَوْمِنَا بِالْحَقِّ وَاَنْتَ خَيْرُ الْفَاتِحِيْنَ •
[‘Dua’ of Hazrat Shuaib (AS)]

١٠. لَٓا اِلٰهَ اِلَّا اَنْتَ سُبْحَانَكَ اِنِّىْ كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِيْنَ •
[‘Dua’ of Hazrat Younus (AS)]

١١. رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا اِنَّكَ اَنْتَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْم • وَ تُبُ عَلَيْنَا اِنَّكَ اَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِئم •
[Hazrat Ibrahim’s (AS) ‘Dua’ after he had built the House of Kaaba]

١٣. رَبَّنَا لَا تَجْعَلْنَا فِتْنَةً لِّلَّذِيْنَ كَفَرُوْا وَاغْفِرْ لَنَا رَبَّنَا اِنَّكَ اَنْتَ الْعَزِيْزُ الْحَكِيْم •
١٤. رَبَّنَا اصْرِفْ عَنَّا عَذَابَ جَهَنَّمَ اِنَّ عَذَابَهَا كَانَ غَرَاماً •
١٥. رَبَّنَا اٰمَنَّا فَاغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا وَاَنْتَ خَيْرُ الرَّاحِمِيْنَ •
١٦. رَبَّنَا اٰتِنَا مِنْ لَّدُنْكَ رَحْمَةً وَّ هَيِّىْ لَنَا مِنْ اَمْرِنَا رَشَدًا •
[The Saints of Ashabe Qahaf said this ‘Doa’ when they entered the cave]

١٧. رَبَّنَا اغْفِرْ لِىْ وَلِوَالِدَىَّ وَلِلْمُؤْمِنِيْنَ يَوْمَ يَقُوْمُ الْحِسَابُ•
[Hazrat Ibrahim’s (AS) ‘Dua’ for his father and mother and for the faithful]

١٨. رَبَّنَا لَا تَجْعَلْنَا فِتْنَةً لِّلْقَوْمِ الظَّالِمِيْنَ •
[Hazrat Musa’s (AS) ‘Dua’ for emancipation of his nation from Pharaoh]

١٩. وَنَجِّنَا بِرَحْمَتِكَ مِنَ الْقَوْمِ الْكَافِرِيْنَ •
[Hazrat Musa’s (AS) ‘Dua’ for emancipation of his nation from Pharaoh]

٢٠. رَبَّنَا اَفْرِغْ عَلَيْنَا صَبْرًا وَّ تَوَفَّنَا مُسْلِمِيْنَ •
[When the magicians fell in prostration in front of Musa (AS), recanted and accepted Islam, they said ‘Dua’ for freedom from the Pharaoh]

٢١. رَبَّنَآ إِنَّنَآ اٰمَنَّا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوْبَنَا وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ •
٢٢. رَبَّنَا فَاغْفِرْلَنَا ذُنُوْبَنَا وَكَفِّرْ عَنَّا سَيِّـَٔاتِنَا وَتَوَفَّنَا مَعَ الْاَبْرَارِ •
٢٣. رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوْبَنَا بَعْدَ اِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِنْ لَّدُنْكَ رَحْمَةً اِنَّكَ اَنْتَ الْوَهَّابُ •
٢٤. رَبَّنَا لَا تَجْعَلْنَا مَعَ الْقَوْمِ الظَّالِمِيْنَ •
٢٥. رَبَّنَا اَثْمِمْ لَنَا نُوْرَنَا وَاغْفِرْ لَنَا اِنَّكَ عَلٰى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيْر •
[On the Day of Judgment, the faithful will say this ‘Dua’ while crossing the ‘Pulsirat’ (Bridge)]

٢٦. رَبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِىْ صَغِيْرًا •
[Allah has taught this ‘Dua’]

٢٧. ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﻻَ تُؤَاخِذْنَآ ﺇِﻥْ نَّسِيْنَآ ﺃَﻭْ ﺃَﺧْﻄَﺄْﻧَﺎ• ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﻭَﻻَ ﺗَﺤْﻤِﻞْ ﻋَﻠَﻴْﻨَﺎ ﺇِﺻْﺮًﺍ ﻛَﻤَﺎ حَمَلْتَهُ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﻣِﻦ ﻗَﺒْﻠِﻨَﺎ• ﺭَﺑَّﻨَﺎ ﻭَﻻَ ﺗُﺤَﻤِّﻠْﻨَﺎ ﻣَﺎ ﻻَ ﻃَﺎﻗَﺔَ ﻟَﻨَﺎ بِهٖ• ﻭَﺍﻋْﻒُ ﻋَﻨَّﺎ ﻭَﺍﻏْﻔِﺮْ ﻟَﻨَﺎ ﻭَﺍﺭْﺣَﻤْﻨَﺎ ﺃَﻧﺖَ مَوْلَانَا ﻓَﺎﻧﺼُﺮْﻧَﺎ ﻋَﻠَﻰ اﻟْﻘَﻮْﻡِ
• ﺍﻟْﻜَﺎﻓِﺮِﻳﻦَ

وَ صَلَّى اللهُ تَعاَلٰى عَلٰى خَيْرِ خَلْقِهٖ مُحَمَّدٍ وَّ عَلٰى اَهْلِ بَيْتِهٖ وَآلِهٖ الطَّيِّبِِيْنَ وَ الطَّاهِرِيْنَ  وَالْمَعْصُوْمِيْنَ الْاَجْمَعِيْنَ خُصُوْصًا عَلٰى سَيِّدِنَا الْغَوْثِ الْاَعْظَم اَمِيْنُ الْمَكِيْن بِرَحْمَتِكَ يَا اَرْحَمَ الرَّاحِمِيْنَ • بَحَقِّ لَا اِلٰهَ
• اِلَّا اللهُ مُحَمَّدٌ رَّسُوْلُ اللهِ يَا شَيْخُ عَبْدُ الْقَادِر شَيْـًٔا لِلهِ

Al-hajj Maulana Muhammad Waliullah Quaderi
Translated into English By Syed Mujtaba Quader

Prayer of Eid ul Fitr / ঈদুল ফিতরের নামায


بسم الله الرحمن الرحيم
*The Method of Offering the Eid ul Fitr Prayer*

*’Niyat’ (Declaration of Intention)

نَوَيْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلّٰهِ تَعَالٰى رَكْعَاتَىْ صَلٰوةِ عِيْدِ الْفِطْرِ مَعَ سِتِّ تَكْبِيْرَاتِ وَاجِبِ اللهِ تَعَالٰى
مُتَوَجِّهًا اِلٰى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِيْفَةِ اَللهُ اَكْبَر

Method of Offering Prayer : After making ‘niyat’ and completing ‘Takbeer e Tahrima’ (Takbeer of Protection, saying, ‘Allahu Akbar’), say the ‘sana’ which is :

سُبْحَانَكَ اَللّٰهُمَّ وَبِحَمْدِكَ وَ تَبَارَكَ اسْمُكَ وَتَعَالٰى جَدُّكَ وَ لَا اِلٰه غَيْرُكَ

– must say. Thereafter, lift the two hands up to the two ears and utter the ‘takbir’ ‘Allahu Akbar’, and leave the two hands hanging down. In this way, perform the ‘takbir’ twice, and in the third time after lifting up the hands to the two ears and uttering the ‘takbir’,  tie the two hands together (in ‘tahreem’) instead of leaving the two hands hanging. Thereafter, after saying Sura Fatiha and any Sura and completing the first ‘rakat’, get up for the second ‘rakat’ and say Sura Fatiha and another Sura, and like before, lifting up the hands to the two ears and uttering the ‘takbir’, leave the two hands hanging down. After doing this this way for three times, on the fourth time after uttering the ‘takbir’, go to the ‘ruku’ position. Thereafter, the second ‘rakat’ must be completed as usual.

After the Prayer, the Imam will render the sermon. Thereafter, he will supplicate.

*Al-Hajj Maulana Muhammad Waliullah Quaderi*
Translated into English by : Syed Mujtaba Quader

   

*ঈদুল ফিতরের নামায পড়ার নিয়মাবলী*

*নিয়াত*

نَوَيْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلّٰهِ تَعَالٰى رَكْعَاتَىْ صَلٰوةِ عِيْدِ الْفِطْرِ مَعَ سِتِّ تَكْبِيْرَاتِ وَاجِبِ اللهِ تَعَالٰى
مُتَوَجِّهًا اِلٰى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِيْفَةِ اَللهُ اَكْبَر*

*নামাযের পদ্ধতি* – নিয়াত করে তাকবীর-তাহরীমা বাঁধার পর ‘সানা’ অর্থাৎ

سُبْحَانَكَ اَللّٰهُمَّ وَبِحَمْدِكَ وَ تَبَارَكَ اسْمُكَ وَتَعَالٰى جَدُّكَ وَ لَا اِلٰه غَيْرُكَ

পড়তে হবে। অতঃপর দুই কান পর্যন্ত দুই হাত নিয়ে গিয়ে তাকবীর ‘আল্লাহু আকবার’ পাঠ করে দুই হাত নিচের দিকে ছেড়ে দিতে হবে। এই ভাবে দুইবার তাকবীর পাঠ করার পর তৃতীয় বারে  দুই হাত দুই কান পর্যন্ত নিয়ে গিয়ে তাকবীর পাঠ করে দুই হাত ছেড়ে না দিয়ে তাহরীমা বাঁধতে হবে। অতঃপর সুরা ফাতেহার পর যেকোনো একটি সুরা দিয়ে প্রথম রাকাআত শেষ করে দ্বিতীয় রাকাআতে উঠে সুরা ফাতেহার পর অন্য একটি সুরা পড়ে পূর্বের ন্যায় দুই হাত দুই কান পর্যন্ত নিয়ে গিয়ে তাকবীর পাঠ করে দুই হাত নিচের দিকে ছেড়ে দিতে হবে। এইভাবে তিনবার করার পর চতুর্থ বারে তাকবীর পাঠ করে রুকুতে যেতে হবে। তারপর যথারীতি দ্বিতীয় রাকাআত সম্পন্ন করতে হবে।

নামায শেষে ইমাম সাহেব খুতবা পাঠ করবেন। অতঃপর মোনাজাত করবেন।

*আলহাজ মওলানা মুহাম্মাদ ওয়ালীউল্লাহ্ কাদেরী*

Hazrat ‘Mowla Pak’ (AS)

His Holiness Hazrat ‘Maula Pak’ Quebla,
a Great Saint of Bengal

His Holiness Syed Shah Murshid Ali Al-Qaderi Al-Baghdadi (AS) was a great saint of the famous Qaderia Order, in Bengal. As a direct descendant of Ghous-ul-Azam , Hazrat Abu Mohammad Muhiuddin Syed Abdul Qadir Jilani (AS) he was also the direct descendant of the Prophet through his daughter Hazrat Fatima Zohra (AS), Hazrat Ali bin Abu Taleb (AS) and Hazrat Hasan Mujtaba (AS).

His forefathers had arrived in Bengal in 1766 from Syria en route through Baghdad and settling in Mangalkote in the Bardwan district of Bengal. The family later moved to Medinipore where he was born in 1852 to become the 4th generation Head of the Order in Bengal. His Holiness was a man of great wisdom, vision and charisma, and he later moved to present day Kolkata where he set up a Khankah Sharif at Khankah Sharif Lane, Taltalla which became the main centre of the Qaderi Order and which to this day is a place of worship and pilgrimage to the many followers of the Order. The Khankah Sharif was frequented by many noblemen and men of high stature, as it was also likewise filled with many simple country folk and those whom the world had forsaken who could surely find succor here. Maula Pak, as he was referred to as a mark of reverence and affection traveled widely all over Bengal and also in other parts of the subcontinent always awakening the spiritual essence of the people by imparting his ‘faiz’ on all who came to receive his blessings. The unequalled miracles that he performed as a Grace from the Almighty, even today remains a matter of inspiration among the people. All these have been recorded meticulously in books and have remained permanently ingrained in the folklore of the regions as beacons of spiritual light to those who seek spirituality of the soul. Wherever he went and whatever he did, Maula Pak’s mere presence was a source of great inspiration to the entire multitude.

Maula Pak, spent countless days and nights in the Chillagah Sharif in Istriganj, Medinipore immersing himself in spiritual contemplation and exercises becoming of a Saint of the most high. He buried himself in the ground for 40 days on end without food or water, and after that immersed himself in the nearby pond. The water of the pond, to this day is a miraculous cure for the sick. It is known that he used to partake in a special extremely strenuous and painful prayer called the ‘Salat e Makusi’ by hanging himself upside down from the branch of a tree until blood flowed from his nostrils. It is in such ways that great Saints of the times atone for the sins and failings of the common man who seek the forgiveness and mercy of the Almighty.

Maula Pak authored a book called the ‘Dewan-e-Hazrat Jamal’ consisting of a collection of over 400 ‘kasidas’ or poetic verses, each ‘kasida’ containing a treasure trove of unexcelled spiritual inspiration of the highest order. To this day, the ‘kasidas’ written mainly in Urdu but intermixed sweetly with Persian and Arabic, are recited all over Bengal and beyond, in the scores of Khankah Sharifs (places of congregation for prayers and praise) on the occasions of the Egaravee Sharif (congregation that is held on the 11th day of each Arabic month) and also in other Urs Mahfils, imparting ‘faiz’ or spiritual benefit to the listeners, and transfixing their hearts and minds with adoration, inspiration and love. Here is an excerpt from one ‘kasida’ :

BAQA MUTLAQ NA HASTI MEIN RAHE BAAQI ATA YUN HO
FANA SUM AL FANA YA GHOUS-E-MOHUIDDIN-E-JILANI
Bestow on me such that absolutely nothing remains of me,
May there be death upon death, O Ghous, the reviver of religion, the Jilani.

FANA FISH SHAIKH MEIN MISLE BAQA BILLAH ASAR PAAYA
FANA FILLAH KA YA GHOUS-E-MOHUIDDIN-E-JILANI
The effect of completely effacing oneself in Shaikh (Pir) is the same as everlasting life in God
It is the same as perishing oneself in God, O Ghous, the reviver of religion, the Jilani.

DILO JAAN KAR DIYE TUM PAR FIDA JAB BHI NAHI NIKLA
WOH JIKA HAUSLA YA GHOUS-E-MOHUIDDIN-E-JILANI
Despite having devoted my heart and soul to you, the urge of life is not yet lost
The spirit of my heart is still strong, O Ghous, the reviver of religion, the Jilani.

DUA DUNIYA O DEEN KI PHIR KHUDA SE KIS LIYE MAANGUN
TUMHI TO MUDDUA YA GHOUS-E-MOHUIDDIN-E-JILANI
Why should I ask (pray for) the world and the hereafter from God;
When you are my ultimate desire, O Ghous, the reviver of religion, the Jilani.

ADA JAB TAK NA HOLE MUJH SE AUHDA JAANESARI KA
NA PAAS AAYE QAZA YA GHOUS-E-MOHUIDDIN-E-JILANI
Until I execute the duty of sacrificing myself;
Death should not come to me, O Ghous, the reviver of religion, the Jilani.

DOBARA ZINDA HOKAR PHIR MAROON ROZ-E-JAZA TUM PAR
ATA HO YE JAZA YA GHOUS-E-MOHUIDDIN-E-JILANI
After resurrection, may I die once more on you, on the day of judgment
Grant me this privilege, O Ghous, the reviver of religion, the Jilani.

TASAWYUR BANDHNE MEIN MERI ANKHEN KHUL GAYEEN KAISI
NAHI KUCH SUJHTA YA GHOUS-E-MOHUIDDIN-E-JILANI
Absorbed in your imagination I have experienced enlightenment
Nothing else comes to my mind excepting you, O Ghous, the reviver of religion, the Jilani.

KHUDAI KE JAHAZON KE LIYE TUMKO KHUDA NE KHUD
BANAYA NA KHUDA YA GHOUS-E-MOHUIDDIN-E-JILANI
For the ships of Divinity, God has himself,
Chosen you to be the Captain, O Ghous, the reviver of religion, the Jilani.

NA KYUN MARTE KHIZR TUM PAR MASIHA KI TARHA HAR DUM
KE THA SHAUQE BAQA YA GHOUS-E-MOHUIDDIN-E-JILANI
Why would not Khizr have submitted to you like his Messiah all the time;
He wished everlasting life, O Ghous, the reviver of religion, the Jilani.

DAME NAZ AAP KI KHUSHBU JO AAYI ROOH NE MERI
KAHA SALLE ALA YA GHOUS-E-MOHUIDDIN-E-JILANI
At the time of death, my soul after getting your fragrance
Said ‘Salle Ala’, O Ghous, the reviver of religion, the Jilani.

TUMHI ZILLE HUMAYUN-E-MUHAMMAD HO NA KYUN BANTE
LEWAYE MUSTAFA YA GHOUS-E-MOHUIDDIN-E-JILANI
You are the auspicious shadow of Muhammad(SAW), so why would not you become
The standard of Mustafa(SAW), O Ghous, the reviver of religion, the Jilani.

PARHOON HAR DUM WAZIFA NAAME PAAK-E-GHOUS-E-AZAM KA
RAHE VIRRD AYE KHUDA YA GHOUS-E-MOHUIDDIN-E-JILANI
All the time I am reciting the holy name of Ghous, the majestic;
O God, may I keep uttering, O Ghous, the reviver of religion, the Jilani.

Maula Pak also wrote a beautiful biography of his father and his Murshid, Hazrat Syed Shah Mehr e Ali Al Quaderi. The book titled, ‘Tograe Mahamed’ written in Persian was later translated into Urdu by Maulana Muhammad Abu Taher Al Quaderi, which was again re-translated into modern Urdu by Dr. Abdus Sobhan. The book contains all elements of the life of the great saint and scholar, and contains narrations of the many exquisite miracles performed during his lifetime which itself can serve as a guide to the understanding of ‘tasauuf’ to disciples even today.

Maula Pak drew the curtain on himself in 1901 and his Mazar Sharif is located in the city of Medinipore in West Bengal, where one can visit to gain his ‘faiz’ and blessings as one can also receive from attending his Urs Mahfil on 27th Shawal each year, or just by his remembrance. Egaravee Sharif and Urs Mahfils are held in Bangladesh in all the Khankah Sharifs of the Quaderia Order, and in Dhaka in the Khankah Sharif in Kallyanpur which is conducted under the guidance of the present Sajjadanashin, or Tareeqa Head of the Order, His Holiness Syed Shah Rashid Ali Al-Qaderi Al-Baghdadi.  May the shadow of the great Saints of Islam and the Qaderia Order always be on their disciples and on their admirers. 

Noor e Mutlaq hai(n) Payambar

Kasida by :
His Holiness Hazrat Syed Shah Murshid Ali Al-Quaderi Al-Baghdadi (AS)
( Maula Pak Quebla )
from the Original Book in Urdu: Dewan e Hazrat e Jamal
Transliterated into English by: Md Istemdad Ali

Noor e mutlaq hai(n) payambar ya Ali e Murtaza
Aur tum ho unke mazhar ya Ali e Murtaza

Dono tum ho noor e daawar ya Ali e Murtaza
Balke yak jaan o do paikar ya Ali e Murtaza

Tum ho Maula wo hai(n) sarwar ya Ali e Murtaza
Tum wasi ho woh payambar ya Ali e Murtaza

Aap hain nafse payambar ya Ali e Murtaza
Ummati humsar ho(n) kyunkar ya Ali e Murtaza

Tum ne toda baab e khaibar ya Ali e Murtaza
Kab ho tumsa zor aawar ya Ali e Murtaza

Aap ke hai(n) zaaire dar ya Ali e Murtaza
Qudsi o arshi se badhkar ya Ali e Murtaza

Ahle bait e pak hi ke faiz se Islam o dee(n)
Hashr tak shae(n) ho(n) ghar ghar ya Ali e Murtaza

Dagh e ishqe Panjetan ki garmiya(n) dekhei(n) agar
Sard ho khursheed e Mehshar ya Ali e Murtaza

Haath aae tum ko Mehshar mei(n) liwae Ahmadi
Aur ho qabze mei(n) kausar ya Ali e Murtaza

Lahmo ka lehmi se rabte jism o jaa(n) zaahir hua
Aap hain zaat e payambar ya Ali e Murtaza

Shams ko phera hai do baar aapne phir kyon nahi
Pherte mera muqaddar ya Ali e Murtaza

Aap murshid hain hamare peer e peera(n) peer hai(n)
Aur paighambar hai(n) rehbar ya Ali e Murtaza

Kyu(n) na Maula e do aalam tum ko kehte momeneen
Tum to ho nafse payambar ya Ali e Murtaza

Lehmo ka lehmi ke shaaya(n) ho nabi ki jaan ho
Jaan o dil qurbaan tum par ya Ali e Murtaza

Jab musallam hai ke muslim hai tumhara dostdar
Ho adu kafir na kyu(n) kar ya Ali e Murtaza

Shehr e ilme Mustafa ke dar ke darba(n) Ghaus hai(n)
Aap hain uss shehr ke dar ya Ali e Murtaza

Na khuda Ghaus e Khuda hain deen e Ahmad hai jahaaz
Aur uske tum ho langar ya Ali e Murtaza

Mushkilei(n) aasaan kar do ae mere Mushkil Kusha
Sakht waqt aaya hai mujhpar ya Ali e Murtaza

Aap hain Mushkil Kusha faryaad ras hai(n) Ghaus Pak
Phir masaaib ka ho kya darr ya Ali e Murtaza

Aap hai(n) shah e wilaayat Ghaus shah e auliya
Phir na phaile fuqr kyu(n) kar ya Ali e Murtaza

Likh sake kya banda uska wasf jiska ho khuda
Aap Quraa(n) mei (n) sanaagar ya Ali e Murtaza

Ain e deedar e Khuda hai dekh lena aap ka
Aap hai(n) woh Haq ke manzar ya Ali e Murtaza

Jitne guzre khalq mei(n) aali maratib sab se tum
Misle paighambar ho badhkar ya Ali e Murtaza

Auliya Allah mei(n) roz e azal se aap ka
Faiz jaari hai baraabar ya Ali e Murtaza

Ghaus e Aazam kyu(n) na kehlaate bade peer aap the
Aap ke farzand e Akbar Ya Ali e Murtaza

Khaas maslak hai tumhara khandaan e qadri
Iss tariqe ke ho rehbar ya Ali e Murtaza

Ghaus e Aazam qutbe aalam aap ke farzand hai(n)
Kaun hai unke baraabar ya Ali e Murtaza

Ghaus e Aazam ne khuda ke hukm se rakha qadam
Auliya ki gardano(n) par ya Ali e Murtaza

Ghar banao meri aankhon mei(n) jagah dil mei(n) karo
Baap bete dono milkar ya Ali e Murtaza

Aap ke Mehr e Ali Al Qadri ka hoo(n) ghulam
Phir na kyu(n) kehlaaoo(n) Qambar ya Ali e Murtaza

Ye nahi mumkin ke aasi hashr mein bakhshaa na jaae
Aap ka maddah bankar ya Ali e Murtaza

Manqabat e Maula Ali (AS)-2

A Tribute to the Gate of the City of Knowledge

Oh Gate to the City of knowledge, Oh King of all the Saints,

They tried so hard to cause damage but your image they could never taint,

Oh he who refused to open his eyes so his first sight would be the Prophet’s face,

Over the centuries many have tried but the truth can never be erased,

Oh you who was under the Prophet’s cloak,oh you who grew up in his home,

The truth was the only thing you spoke, indeed you were true Heir to his throne,

The Prophet called on so many men, only you accepted his invitation,

And how can so many have forgotten that that night you were declared his vice-regent

Oh you who chose to lie in his bed, risking your own life,

Who else could have done what you did and still sleep in peace that night?

And what of the time when the Prophet himself, asked all to gather for him to speak,

It was at Ghadir-e-kum upon a hill, where he declared you Wali,

Oh bearer of the double-edged sword, was it not you He chose for Mubahala?

None can deny you are the Lion of the Lord, you are to believers, a sailor’s North Star.

And when a man put the Prophets honesty into question, you were the only one to unsheathe your sword,

The Prophet did stop you then but said you showed the Justice of the Lord.

And what of the time when you fought a man, purely for Allah’s cause and sake,

But refused to kill him for fear of a change of intention, as he spit on your holy face,

Have they forgotten when they pulled the arrow out, how you were experiencing tremendous pain,

But not an ounce when you were in salaat, with unparalleled devotion, the discomfort waned

Oh he who invited his assassin in as a guest and offered him food and drink,

Telling him to sit and rest, until it was proven that he had sinned,

Oh Giver of charity in the state of rukoo, oh true flag bearer of Islam,

I wish that I could perform Sujood and kiss the holy feet of my Imam,

How can I help but be broken, when questions of your status are raised?

Especially when the Prophet had spoken that it is worship to look upon your face.

“You are from me and I am from you. Ali to me, is like I am to my Lord ”

These were indeed the words that were used,
By our beloved Prophet many years ago.

So how can they deny you Imam? How can they not see?

Surely there cannot be an Islam without Mowla Ali,

Oh Imam when the time comes that I cease to breathe,

When I am called to question for all of my deeds,

May I be recognised as a drop of water in the sea,

A drop of water in the sea of lovers of Imam Ali.

By……..Syed Sheham Quader